|
মোস্তাফা
জব্বার: অতি সংক্ষিপ্ত
জীবনী
|
|
|
|
ক. জন্ম
|
কম্পিউটারে
বাংলা প্রচলনের
অগ্রদূত মোস্তাফা
জব্বার-এর জন্ম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেলার আশুগঞ্জ
থানার চর চারতলা
গ্রামে, তার নানার
বাড়ীতে ১৯৪৯ সালের
আগস্ট মাসের ১২
তারিখে ৷ ঘটনাচক্রে
সেটি ছিলো আরবী
মাসের হিসেবে ১২ই
রবিউল আউয়াল৷ সম্ভবত
সেই কারণেই মোস্তাফা
জব্বারের নানী
বেগম আনছর আলী
খন্দকার তার নাম
রাখেন মোস্তাফা৷
অবশ্য তার নানা
আনছর আলী খন্দকার
নাম রেখেছিলেন
আবুবকর সিদ্দিক৷
তবে নানীর দেয়া
মোস্তাফা নামটাই
টিকে যায়৷ অবশ্য
তার শৈশবের শিক্ষক
নবাব আলী চৌধুরী
তার সার্টিফিকেটের
জন্য নাম দেন মোঃ
গোলাম মোস্তফা৷
সেই শিক্ষকই বয়সটাও
বদলে জন্ম তারিখ
করে ফেলেন ৩০ জুন
১৯৫১৷ তবে মোস্তাফা
জব্বার নামেই তিনি
এখন সমধিক পরিচিত৷
মোস্তাফা জব্বারের
দাদার নাম মুন্সি
আলিমউদ্দিন তালুকদার
এবং পিতার নাম
আব্দুল জব্বার
তালুকদার৷ তার
দাদা এবং বাবা
জীবিত নেই৷ মোস্তাফা
জব্বারের মায়ের
নাম রাবেয়া খাতুন৷
তার পৈত্রিক নিবাস
নেত্রকোণা জেলার
খালিয়াজুরী থানার
কৃষ্ণপুর গ্রামে৷
তার পিতা একজন
আধ্যাত্মিক জ্ঞানী
পুরুষ ছিলেন৷ প্রথম
জীবনে তিনি পাট
ব্যবসায়ী ছিলেন৷
তিনি এলাকায় পীর
সাহেব নামে পরিচিত
ছিলেন৷ সারা দেশজুড়ে
(বিশেষত নেত্রকোণা
ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়)
তার অসংখ্য ভক্ত
ও মুরীদ রয়েছে৷
তবে তার সমাজকর্ম
ও রাজনৈতিক জীবনও
ছিলো ঘটনাবহুল৷
তিনি তার এলাকায়
ঈদগাহ, কবরস্থান,
স্কুল, মক্তব ও
মাদ্রাসা ইত্যাদি
প্রতিষ্ঠা ছাড়াও
মুক্তিযুদ্ধের
প্রধান সংগঠক ছিলেন৷
স্বাধীনতাউত্তরকালে
আমৃত্যু তিনি খালিয়াজুরী
থানা আওয়ামী লীগের
সভাপতি ছিলেন৷
তিনি নিজে একজন
ভালো হোমিওপ্যাথিক
চিকিৎসকও ছিলেন৷
তিনি সারা জীবন
মানুষকে বিণামূল্যে
চিকিৎসা করেছেন
এবং বিণামূল্যে
ঔষধ বিতরণ করেছেন৷
১৯৭৯ সালে তিনি
মৃত্যুবরণ করেন৷
মা রাবেয়া খাতুন
তার বড় ছেলে মোস্তাফা
জব্বার, মেজ ছেলে
কিবরিয়া জব্বার,
ছোট ছেলে রাব্বানী
জব্বার, বড় মেয়ে
নিলু ও ছোট মেয়ে
হেলেনের শিক্ষার
বিষয়ে প্রচণ্ড
সাহসী ও সংগ্রামী
ভুমিকা পালন করেছেন৷
শিক্ষানুরাগী
রাবেয়া খাতুন তার
নিজের সন্তানদের
লেখাপড়া করানোর
পাশাপাশি স্থানীয়
নারী শিক্ষার বিষয়ে
ব্যাপকভাবে আগ্রহী
হওয়ায় তার সন্তানেরা
আব্দুল জব্বার
রাবেয়া খাতুন বালিকা
বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
করেছে৷
|
| |
| খ. শিক্ষা
|
|---|
|
মোস্তাফা জব্বার
শৈশবে নানার বাড়ীতে
শিক্ষাজীবন শুরু
করলেও প্রাথমিক
শিক্ষা গ্রহণ করেন
পৈত্রিক নিবাসে৷
সেই সময়ে মোস্তাফা
জব্বারের গ্রামের
বাড়ীর আশেপাশের
দশগ্রামের মাঝে
তার নিজগ্রামে
একটিই প্রাথমিক
বিদ্যালয় ছিলো্৷
পুরো থানায় কোন
জুনিয়র স্কুল বা
হাইস্কুল ছিলোনা৷
সেজন্য তিনি হাইস্কুল
শিক্ষা গ্রহণ করেন
হবিগঞ্জ জেলার
আজমিরীগঞ্জ থানার
এ. এ. বি. সি হাইস্কুল,
বিরাট-এ৷ তিনি
ঢাকা কলেজে উচ্চ
মাধ্যমিক এবং ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে
সম্মান ও স্নাতকোত্তর
শিক্ষা গ্রহণ করেন৷
উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে
তার বিষয় ছিলো
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৷
|
| |
| গ. রাজনীতি
ও মুক্তিযুদ্ধ
|
|---|
| মোস্তাফা জব্বার
হাইস্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়
পর্যায়ে শিক্ষার
সময় ছাত্র রাজনীতিতে
জড়িত ছিলেন৷ হাইস্কুলে
পড়াকালে ১৯৬২ সালের
হামুদুর রহমান
শিক্ষা কমিশন বাতিল
আন্দোলনে তিনি
সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ
করেন৷ এরপর ৬৮-৬৯-এর
গণঅভ্যুত্থানের
সক্রিয় কর্মী ছিলেন
মোস্তাফা জব্বার৷
স্বাধীন বাংলার
পতাকা ও জাতীয়
সঙ্গীত প্রণয়ন
কর্মকাণ্ড, মুক্তিযুদ্ধের
ইশতেহার রচনা এবং
সেই সময়কালের স্বাধীনতার
পক্ষের প্রচার-প্রকাশনামূলক
কাজে তিনি সক্রিয়ভাবে
অংশগ্রহণ করেছেন৷
তিনি তার থানা
এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের
প্রধান সংগঠক ও
মুক্তিযোদ্ধা
ছিলেন৷ ১৯৭২ সালের
জানুয়ারীতে তার
কাছে পাশ্ববর্তী
শাল্লা থানার ১৬১
জন রাজাকার আত্মসমর্পণ
করে৷
|
| |
| ঘ. কর্মজীবন
শুরু
|
|---|
| তিনি তার কর্মজীবন
শুরু করেন সাংবাদিক
হিসেবে৷ তিনি দৈনিক
গণকণ্ঠ পত্রিকার
রিপোর্টার, ঢাকা
সাংবাদিক ইউনিয়ন
গণকণ্ঠ ইউনিটের
ইউনিট চিফ, ঢাকা
সাংবাদিক ইউনিয়নের
সাংগঠনিক সম্পাদক
এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের
স্থায়ী সদস্য হিসেবে
দায়িত্ব পালন করেছেন৷
তিনি মাসিক নিপুণ,
মাসিক রূপসী ও
সাপ্তাহিক সংহতি
পত্রিকার প্রধান
সম্পাদক, সাপ্তাহিক
আনন্দপত্র ও সাপ্তাহিক
ঢাকার চিঠি পত্রিকার
সম্পাদক-প্রকাশক
হিসেবে দায়িত্ব
পালন ছাড়াও বর্তমানে
মাসিক কম্পিউটার
টুমরো পত্রিকার
উপদেষ্টা সম্পাদক-মাল্টিমিডিয়া,
দৈনিক আনন্দপত্র
(অনিয়মিত) পত্রিকার
সম্পাদক-প্রকাশক
এবং দেশের প্রথম
বাংলা নিউজ সার্ভিস
আবাস-এর সম্পাদক,
চেয়ারম্যান হিসেবে
কাজ করছেন৷ এছাড়াও
মোস্তাফা জব্বার
বাংলাদেশের পর্যটন
শিল্পের বিকাশে
বেশ কিছু সময় কাজ
করেছেন৷ তিনি ট্রাভেল
এজেন্টদের সংগঠন
আটাব-এর মহাসচিব
হিসেবে দায়িত্ব
পালন করেছেন৷
|
| |
| ঙ. তথ্যপ্রযুক্তি
|
|---|
বর্তমানে মোস্তাফা
জব্বারের মুল কর্মক্ষেত্র
তথ্যপ্রযুক্তি
বিষয়ক৷ তিনি ১৯৮৭
সালের ২৮শে এপ্রিল
কম্পিউটারে কাজ
করা শুরু করেন৷
কোন প্রকারের প্রশিক্ষণ
বা প্রাতিষ্ঠানিক
শিক্ষা ব্যতীতই
তিনি ১৯৮৭ সালের
২৮শে এপ্রিল প্রথম
কম্পিউটার স্পর্শ
করেন৷ সেই কম্পিউটার
ব্যবহার করে তিনি
১৬ই মে ১৯৮৭ সাপ্তাহিক
আনন্দপত্র নামক
একটি সাপ্তাহিক
পত্রিকা প্রকাশ
করেন৷ সেটিই ছিলো
বাংলাদেশের প্রথম
পত্রিকা যাতে কম্পিউটারে
কম্পোজ করা বাংলা
হরফ ব্যবহার করা
হয়৷ এর আগে ১৯৮৬
সালের শেষদিকে
ইংরেজী ভাষায় প্রকাশিত
সাপ্তাহিক ঢাকা
কুরিয়ার কম্পিউটারে
প্রকাশ করার ক্ষেত্রেও
তার গুরুত্বপূর্ণ
ভুমিকা ছিলো৷ তিনি
১৯৮৭ সালের ১লা
জুলাই থেকে ডেইলী
নিউজ নামক একটি
ইংরেজী দৈনিক পত্রিকা
কম্পিউটারে প্রকাশের
দায়িত্ব পালন করেন৷
এরপর তিনি ১৯৮৮
সালের ১৬ই ডিসেম্বর
প্রকাশ করেন বিজয়
কীবোর্ড৷ এর পাশাপাশি
তিনি দেশের সকল
মুদ্রণ, প্রকাশনা
প্রতিষ্ঠান ও সংবাদপত্রে
কম্পিউটার প্রযুক্তি
প্রয়োগ করেন৷ তিনি
সংবাদপত্রে কম্পিউটার
প্রযুক্তি প্রয়োগে
১৫ হাজারের বেশী
লোককে কম্পিউটার
শিক্ষায় শিক্ষিত
করেন ও ৬০ হাজারের
মতো লোকের কর্মসংস্থানের
ব্যবস্থা করেন৷
তার তৈরী বিজয়
কীবোর্ড বিজয় বাংলা
সফটওয়্যার এবং
বাংলা ও অসমীয়া
ফন্ট এখন বাংলাদেশে
শতকরা ৯৯ ভাগ, ভারতের
পশ্চিমবঙ্গে শতকরা
৮০ ভাগ এবং বিশ্বের
অন্যত্র শতকরা
৯০ ভাগ ব্যবহৃত
হয়৷ তার বিজয় সফটওয়্যার
এখন ভারত, আমেরিকা,
ইউরোপ ইত্যাদি
দেশ-মহাদেশে রপ্তানী
হয়৷ তিনি এই সফটওয়্যারে
বাংলা ইমেইল ও
বাংলা অভিধান তৈরী
করা ছাড়াও অসমীয়া,
চাকমা ও হিন্দী
ভাষার ইন্টারফেস
তৈরী করেছেন৷ ১৯৮৯
সালে বাংলাদেশ
আয়োজিত প্রথম কম্পিউটার
মেলারও তিনি অন্যতম
সংগঠক ছিলেন৷
তিনি বাংলাদেশ
কম্পিউটার সমিতির
অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা
এবং এই সমিতির
কোষাধ্যক্ষ, নির্বাহী
পরিষদ সদস্য ও
সভাপতি হিসেবে
দায়িত্ব পালন করেন৷
তার সভাপতিত্ব
কালেই বাংলাদেশে
কম্পিউটারের উপর
থেকে শুল্ক ও ভ্যাট
প্রত্যাহারের
সিদ্ধান্ত নেয়া
হয়৷ বস্তুত ১৯৯৫
সালে তিনিই প্রথম
সরকারের কাছে শুল্ক
ও ভ্যাট প্রত্যাহারের
দাবী জানান৷ তিনি
বাংলাদেশের জাতীয়
সফটওয়্যার সমিতি
বেসিস-এরও অন্যতম
প্রতিষ্ঠাতা৷
এই সমিতির সহ-সভাপতি
এবং পরিচালক হিসেবে
তিনি দায়িত্ব পালন
করেছেন৷ এছাড়া
তিনি জেআরসি কমিটি
এবং বিএসটিআই-এর
ইটি-১৫ কমিটির
সদস্যও ছিলেন৷
তার লেখা
বই মাধ্যমিক কম্পিউটার
শিক্ষা মাধ্যমিক
পর্যায়ের একমাত্র
পাঠ্যবই৷ তার লেখা
উচ্চ মাধ্যমিক
কম্পিউটার শিক্ষা
বইটি উচ্চ মাধ্যমিক
পর্যায়ের প্রথম
ও অন্যতম পাঠ্যবই৷
তিনি কম্পিউটার
বিষয়ক বই লিখেছেন
বেশ কয়েকটি৷ তার
রচনাবলীর মাঝে
একটি উপন্যাসও
আছে৷
তিনি বাংলাদেশে
টেলিভিশনের কম্পিউটার
বিষয়ক অনুষ্ঠানের
উপস্থাপক হিসেবে
বিটিভি, এটিএন
ও চ্যানেল আইতে
শতাধিক অনুষ্ঠান
গ্রন্থনা, উপস্থাপনা
ও পরিচালনা করেছেন৷
বর্তমানে তিনি
কম্পিউটার প্রশিক্ষণ
ও শিক্ষায় কম্পিউটারের
প্রয়োগ ছাড়াও কম্পিউটারে
বাংলা ভাষা প্রয়োগ
ও শিক্ষামূলক মাল্টিমিডিয়া
সফটওয়্যার তৈরীতে
নিয়োজিত আছেন৷
তিনি কম্পিউটার
প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান
আনন্দ মাল্টিমিডিয়ার
প্রতিষ্ঠাতা এবং
আনন্দ মাল্টিমিডিয়া
স্কুলের জনক৷
|
| |
| চ. শিক্ষানুরাগ
|
|---|
মোস্তাফা জব্বারের
নিজের গ্রামে বা
থানায় হাইস্কুল
শিক্ষার ব্যবস্থা
না থাকায় তার স্কুলের
পড়াশোনা শুরু হয়
বর্তমান হবিগঞ্জ
জেলার আজমিরিগঞ্জ
নামক স্থানে৷ তার
জীবনের সেই শিক্ষাসংকটের
সূত্র ধরেই তিনি
নিজগ্রামে একটি
হাইস্কুল (আলিমুদ্দিন-
আরজন্নেছা উচ্চ
বিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠার
উদ্যোগ নেন ১৯৬৯
সালে, যখন তিনি
বিশ্ববিদ্যালয়ের
ছাত্র৷ তার বাবা
মরহুম আব্দুল জব্বার
তালুকদার সেই স্কুলটি
প্রতিষ্ঠা করেন৷
এরপর ১৯৮৬ সালে
মোস্তাফা জব্বার
তার গ্রামের বাড়ীতে
হাজী আলী আকবর
ডিগ্রী কলেজ নামে
একটি ডিগ্রী কলেজ
প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
নেন৷ ১৯৯৭ সালে
তিনি তার ভাইবোনদের
নিয়ে আব্দুল জব্বার
রাবেয়া খাতুন বালিকা
বিদ্যালয় নামের
একটি মাধ্যমিক
বালিকা বিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠা করেছেন৷
এছাড়া তার বাবার
হাতে প্রতিষ্ঠিত
একটি আলীম মাদ্রাসাও
তার পরিবারের সদস্যরা
দেখাশোনা করেন৷
মোস্তাফা জব্বারের
একটি বিশাল কীর্তির
নাম আনন্দ মাল্টিমিডিয়া
স্কুল৷ ১৯৯৯ সালের
২৪শে ডিসেম্বর
ঢাকার কাছে গাজীপুরে
তিনি এই স্কুলের
শুভ সূচনা করেন৷
এখন ঢাকার মুগ্দাপাড়া,
চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ
ও চাঁদগাও, কক্সবাজার,
রাঙ্গামাটি, ফেনী,
নরসিংদী, মনোহরদী,
টঙ্গী, ময়মনসিংহ,
গৌরীপুর, হোমনা
ও বগুড়ায় এই স্কুলগুলো
চালু আছে৷
এসব স্কুলে
শিশু বয়স থেকেই
কম্পিউটার শিক্ষাকে
বাধ্যতামূলক করা
হয়েছে৷ এছাড়াও
এসব স্কুলে কম্পিউটারকে
শিক্ষা উপকরণ হিসেবে
ব্যবহার করা হয়৷
|
| |
|
ছ. ভ্রমণ
|
|
মোস্তাফা জব্বার
ভারত, পাকিস্তান,
নেপাল, শ্রীলঙ্কা,
থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া,
সিঙ্গাপুর, হংকং,
ম্যাকাও, দক্ষিণ
কোরিয়া, নেদারল্যান্ড,
জার্মানী, যুক্তরাজ্য,
ফিলিপাইন, আমেরিকা,
রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য,
জার্মানী, সৌদীআরব
ও লাওসসহ বিশ্বের
অনেকগুলো দেশ ভ্রমণ
করেছেন৷
|
| |
|
জীবনবৃত্তান্ত |
|
নাম:
মোস্তাফা
জব্বার
|
|
জন্ম তারিখ: ১২
আগস্ট ১৯৪৯৷ স্কুল
সার্টিফিকেট অনুসারে
৩০-০৬-৫১
|
| |
|
|
|---|
|
|
|
শিক্ষাগত যোগ্যতা
|
| পরীক্ষার নাম |
সন |
বিভাগ/শ্রেণী |
প্রতিষ্ঠান |
| মাধ্যমিক |
১৯৬৬ |
দ্বিতীয় |
কুমিল্লা বোর্ড
(এ.এ. বি. সি. হাইস্কুল,
বিরাট, থানা আজমিরীগঞ্জ,
জেলা: হবিগঞ্জ)
|
| উচ্চ মাধ্যমিক |
১৯৬৮ |
দ্বিতীয় |
ঢাকা বোর্ড
(ঢাকা কলেজ)
|
| স্নাতক (সম্মান)
|
১৯৭১ (১৯৭২-এ
অনুষ্ঠিত) |
দ্বিতীয় |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
(বাংলা বিভাগ)
|
| স্নাতকোত্তর |
১৯৭২ (১৯৭৪-এ অনুষ্ঠিত) |
দ্বিতীয় |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
(বাংলা বিভাগ) |
|
পেশা: সাংবাদিকতা
ও ব্যবসা
পদবী:সম্পাদক
ও প্রধান নির্বাহী
স্থায়ী
ঠিকানা: গ্রাম:
কৃষ্ণপুর, ডাকঘর:
কে. কে. পুর, জেলা: নেত্রকোণা,
বাংলাদেশ৷
বর্তমান
ঠিকানা:
আনন্দ
কম্পিউটার্স, ১৮৮
মতিঝিল সার্কুলার
রোড, (আরামবাগ) ঢাকা-১০০০,
বাংলাদেশ৷
ফোন: কার্যালয়:
+৮৮০২ ৭১০১৩৫৪,
+৮৮০২ ৭১০২৫২৭
বাসা: +৮৮০২ ৯১৩৪৫১৩
মোবাইল +৮৮০১৭১৫৩০৪৫২
E-mail: mustafajabbar@gmail.com Website: www.abasnews.net, www.bijoyekushe.net |
| |
|
উল্লেখযোগ্য
বই ও প্রকাশনা:
|
*মোদের গরব
মোদের আশা * কম্পিউটারে
প্রকাশনা * মাইক্রোসফট
ওয়ার্ড (যৌথভাবে)
* মাইক্রোসফট এক্সেল
(যৌথভাবে) * কম্পিউটারে
অভিধান (সম্পাদিত)
* মাল্টিমিডিয়া
ও অন্যান্য প্রসঙ্গ
|
|
উপরের বইগুলোর
মুদ্রিত কপি এখন
পাওয়া যায়না৷ তবে
কম্পিউটারে হাতেখড়ি
বইটিতে অভিধান
যুক্ত করা হয়েছে৷
মাল্টিমিডিয়া
ও অন্যান্য প্রসঙ্গ
বইটিকে মাল্টিমিডিয়া
ও ডিজিটাল ভিডিও
বইটি দিয়ে স্থলাভিষিক্ত
করা হয়েছে৷ মাইক্রোসফট
ওয়ার্ড এবং মাইক্রোসফট
এক্সেল অংশগুলো
যুক্ত করা হয়েছে
হাতেখড়ি বইটিতে৷
এতে এসব এপ্লিকেশনের
আপগ্রেডও করা হয়েছে৷
বর্তমানে
যেসব বই বাজারে
পাওয়া যায় সেগুলো
হলো:
|
|
* মাধ্যমিক
কম্পিউটার শিক্ষা:
এটি নবম দশম শ্রেণীর
একমাত্র পাঠ্যবই৷
প্রকাশ করেছে জাতীয়
পাঠক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড৷
|
|
* উচ্চ মাধ্যমিক
কম্পিউটার শিক্ষা
(প্রথম ও দ্বিতীয়
পত্র) এই দুটি বই
দিয়ে কলেজে কম্পিউটার
শিক্ষার যাত্রা
শুরু হয়৷ এই বইটি
প্রকাশ করেছে আনন্দ
কম্পিউটার্স৷
বইটির দ্বিতীয়
খণ্ড এখন বাজারে
পাওয়া যায়না৷
|
|
* প্রাথমিক
কম্পিউটার শিক্ষা
(প্রথম খণ্ড): আনন্দ
মাল্টিমিডিয়া
স্কুল এবং অন্যান্য
স্কুলের প্লেগ্রুপ,
নার্সারী, কেজি,
প্রথম ও দ্বিতীয়
শ্রেণীর পাঠ্য৷
বইটি প্রকাশ করেছে
জ্ঞানকোষ প্রকাশনী৷
|
| * প্রাথমিক
কম্পিউটার শিক্ষা
(দ্বিতীয় খণ্ড):
আনন্দ মাল্টিমিডিয়া
স্কুল এবং অন্যান্য
স্কুলের তৃতীয়
শ্রেণীর পাঠ্য৷
বইটি প্রকাশ করেছে
জ্ঞানকোষ প্রকাশনী৷
|
|
* কম্পিউটারে
হাতে খড়ি৷ আনন্দ মাল্টিমিডিয়া
স্কুলের চতুর্থ,
পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম
ও অষ্টম শ্রেণীর
পাঠ্য হওয়া ছাড়াও
সাধারণভাবে কম্পিউটার
শেখার জন্য রচিত৷
বইটি প্রকাশ করেছে
জ্ঞানকোষ প্রকাশনী৷
|
|
* নক্ষত্রের
অঙ্গার (উপন্যাস)৷ বইটি প্রকাশ
করেছে আগামী প্রকাশনী৷
|
|
* ডিজিটাল
গ্রাফিক্স ও কম্পিউটারে
প্রকাশনা :
কম্পিউটারে গ্রাফিক্স
ও প্রকাশনার কাজ
শেখার জন্য লেখা৷
বইটি প্রকাশ করেছে
আগামী প্রকাশনী৷
|
|
* কম্পিউটার
কথকতা: তথ্যপ্রযুক্তি
বিষয়ক প্রবন্ধ
সংকলন৷ বইটি প্রকাশ
করেছে আগামী প্রকাশনী৷
|
|
* মাল্টিমিডিয়া
ও ডিজিটাল ভিডিও:
মাল্টিমিডিয়া
ও ডিজিটাল ভিডিও
বিষয়ক প্রবন্ধ
সংকলন৷ বইটি প্রকাশ
করেছে আগামী প্রকাশনী৷
|
|
* স্বদেশ
স্বকাল: দেশ-কাল-সমাজ
বিষয়ক প্রবন্ধ
সংকলন৷ বইটির প্রকাশক
আগামী প্রকাশনী৷
(প্রকাশিতব্য)
|
|
* কম্পিউটার
প্রযুক্তিৼএকুশ
শতক: তথ্য প্রযুক্তি
বিষয়ক প্রবন্ধের
সংকলন৷ বইটি প্রকাশ
করেছে আগামী প্রকাশনী৷
|
| |
|
দেশের কম্পিউটার
বিষয়ক সাময়িকীসমূহে
জনাব মোস্তাফা
জব্বার নিয়মিত
লেখেন৷ যেসব পত্রিকায়
সচরাচর তার লেখাসমূহ
ছাপা হয় তার মাঝে
রয়েছে মাসিক কম্পিউটার
জগত, মাসিক কম্পিউটার
টুমরো, মাসিক কম্পিউটার
বিচিত্রা, মাসিক
সাঁকো, সাপ্তাহিক
যুগদর্পণ (ভৈরববাজার
থেকে প্রকাশিত),
দৈনিক ইত্তেফাক,
দৈনিক প্রথম আলো,
দৈনিক জনকণ্ঠ,
দৈনিক সংবাদ, দৈনিক
সমকাল, দৈনিক যুগান্তর
এবং দৈনিক করতোয়া
(বগুড়া থেকে প্রকাশিত)৷
|
| |
|
পুরস্কার
ও সম্মাননা
|
|
তথ্যপ্রযুক্তিতে
অবদান রাখার জন্য
মোস্তাফা জব্বার
যেসব পুরস্কার
ও সম্মাননা পেয়েছেন
তার মাঝে উলেখযোগ্য
হলো: |
ক. দৈনিক
উত্তরবাংলা পুরস্কার
(তৎলীন স্পীকার
মরহুম মীর্জা গোলাম
হাফিজ কর্তৃক দিনাজপুরে
প্রদত্ত)
দিনাজপুরের
দৈনিক উত্তরবাংলার
উদ্যোগে প্রদত্ত৷
|
খ. মুক্তিযোদ্ধা
কর্নেল তাহের পুরস্কার
( সাবেক রাষ্ট্রপতি
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন
কর্তৃক ঢাকায় প্রদত্ত)
বৃহত্তর
ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক
ফোরামের উদ্যোগে
প্রদত্ত৷
|
|
এছাড়াও
তিনি তথ্যপ্রযুক্তিতে
বিশেষ অবদানের
জন্য ফেডারেশন
অব বাংলাদেশ চেম্বার
অব কমার্স এন্ড
ইন্ডাস্ট্রিজ
এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার
সমিতি কর্তৃক সম্মানিত
হয়েছেন৷
|
| |
|
|